পবিত্র কোরআন
ও হাদীসের আলোকে নাফসের পরিচয়ঃ
“কুল্লু নাফসিন জায়েকাতুল মাওত।” - আল্ কোরআন।
অর্থাৎ, প্রত্যেক নাফসকে (এখানে নাফস বলতে জীবাত্মাকে
আছে বুঝানো হয়েছে) মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।
মূলত,
নাফস বলতে মানুষের প্রবৃত্তিকে বুঝায়। এই প্রবৃত্তি ভালও হতে পারে আবার খারাপও হতে
পারে। সাধারণত নাফস পশুসুলভ স্বভাব নিয়েই জন্মগ্রহন করে। শিশু যেমন ভাল-মন্দ, পাপ-পূন্য
কিছুই বুঝে না, ক্ষুধা লাগলে কাঁদে বা সামনে যা কিছু পায় খেয়ে ফেলে। ন্যায়-অন্যায়ের
মাপকাঠিতে কোন কিছুর বিচার বিশ্লেষন করা যেমন তার পক্ষে সম্ভব নয়। এটাই হচ্ছে নাফসের
মূল স্বভাব। নাফস ন্যায়-অন্যায়, ভাল-মন্দ, পাপ-পূণ্য কিছুই বুঝে না। যা তার মন চাবে
তাই সে করবে। নাফসের ছয়টি হাতিয়ার আছে, যাকে আমরা ষড়রিপু বলি। নাফসের এই পশুসুলভ রূপকে
পবিত্র কোরআনের ভাষায় বলা হয় নাফসে আম্মারা। বয়োবৃদ্ধির সাথে সাখে পারিবারিক ও সামাজিক
রীতি-নীতি, শিক্ষা, ধর্মচর্চা প্রভৃতির সুবাদে নাফেসে আম্মারার উত্তরণ হয় “নাফসে লাওয়ামা”য়।
পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই স্বীয় নাফসকে আম্মারা হতে খুব বেশী হলে লাওয়ামা’য় প্রমোশন
করেই পরলোক গমন করেছেন বা করে থাকেন। অথবা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নফসে আম্মারার
অধিনে খেকেই মৃত্যুবরণ করেন (যা খুবই দুঃর্ভাগ্যের ব্যাপার)। কারণ, নাফসে আম্মারার
মূল বা আবাস স্থল হলো জাহান্নাম। তাই, এই নাফসের প্রমোশন না ঘটিয়ে মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নাম
অবধারিত। তাই আল্লাহ্ পাক বলেন,“নিশ্চই নাফসে আম্মারা মন্দকাজের নির্দেশ দেয়।”
এজন্যই
পাক কোরআনে আল্লাহ্ পাক বলেছেন , “হে বিশ্বাসীগণ তোমরা মোসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ কর
না।” নাফসে আম্মারাকে বলা হয় কাফের। আর, নাফসে লাওয়ামা কাফের ও মোসলমানের মাঝামাঝি
অবস্থানে থাকে। আর মোসলমান বলা হয়েছে নাফসে মুৎমাইন্নাকে। এছাড়াও, আরও দুই প্রকার উচ্চমার্গের
নাফস রয়েছে - নাফসে মুলহেমা ও নাফসে মুহাদ্দেসা। নাফসে মুহাদ্দেসা বা নাফসে রহমানী
নবী রাসূলগণের নাফস এবং নবীর (সাঃ) পরিপূর্ণ অনুসরণকারীর নাফস(যেই নাফস পবিত্র এবং
এই পবিত্র নাফসের অধিকারী নবীগণের উপর অহি আসে, আর উচ্চস্তরের অলিগণের উপর আসে ইলহাম),
আর নাফসে মুলহেমা হলো বেলায়েতে কোবরার স্তরের অলি-আল্লাহ্ গণের নাফস (যেই নাফস তমদোষমুক্ত
এবং যার উপর ইলহাম বা গৌণ প্রত্যাদেশ) আসে। নাফসে মুৎমাইন্নার অধিকারী হলেন বেলায়েতে
সুগরা’র (প্রাথমিক স্তরের অলির পদবী)স্তরের অলিসকল।
নবী
ও রাসূলগণ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে জন্ম থেকেই নাফসে মুহাদ্দেসা স্তরের ছিলেন। আর যারা
কঠোর সাধনার মাধ্যমে স্বীয় নাফসকে আম্মরা হতে লাওয়ামায়, তারপর মুৎমাইন্নায় উন্নীত করতে
পেরেছেন, তারাই সফলকাম হয়েছেন। কারণ নাফসে মুৎমাইন্নার মূল বা আবাস স্থল হলো জান্নাত।
তাই
এই নাফসের অধিকারীগণের শেষ ও চিরস্থায়ী আবাস স্থলও হবে জান্নাত। আর আল্লাহ্ পাকের নৈকট্যলাভকারী
উচ্চ মরযাদা সম্পন্ন অলিগণ হলেন নাফসে মুলহেমার অধিকারী। নবী ও রাসূলগণের এবং আসমানী
কিতাব সমূহের প্রকৃত উত্তরাধীকরী হলেন আল্লাহর এই স্তরের বান্দাগণ। আমাদের দেহ যেমন
ব্যাধিগ্রস্থ হয়ে পড়ে, মন যেমন ব্যাধিগ্রস্থ হয়ে পড়ে, ঠিক তেমনি নাফসও ব্যাধিগ্রস্থ
হয়ে পড়ে। দেহের রুগ হলে আমরা দেহের ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হই, মনের রোগ হলে আমরা মনের
বা মানসিক ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হই, ঠিক তেমনি নাফস ব্যাধিগ্রস্থ হলে নাফসের চিকিৎসক
মুর্শিদে কামেলের স্মরণাপন্ন হতে হয়, এর কোন বিকল্প নাই। একটি ছোট লৌহ খন্ড যেমন একটি
বড় চুম্বকের সংস্পর্শে এসে চুম্বকত্ব লাভ করে, ঠিক তেমনি নাফসে আম্মারার অধিকারী যদি
নাফসে মুলহেমার অধিকারী কারও সংস্পর্শে আসে তাহলে একদিন সেও নাফসে মুলহেমার অধিকারী
হয়ে যাবে। যেমন, আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)র সংস্পর্শে এসে হাজার হাজার সাহাবায়েকেরামগণ
নাফসে মুলহেমার স্তরে উন্নীত হয়েছিলেন।
পবিত্র
কোরআনে নাফসের পাঁচটি স্তরের উল্লৈখ পাওয়া যায়।
১।
নাফসে আম্মারা বা প্ররোচনাদানকারী নাফস - “আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না, নিশ্চয়ই নাফসে আম্মারা মন্দ কর্মপ্রবণ, কিন্তু সে
নয়, যার প্রতি আমার পালনকর্তা অনুগ্রহ করেন; নিশ্চয়ই আমার পালনকর্তা অতীব ক্ষমাশীল,
পরম দয়ালু।” - (সূরা আল্ ইউসুফ ১৬/৫৩)।
এই
নাফস দ্বারা পরিচালিত ব্যক্তিবর্গ ভালমন্দ, পাপ-পূণ্যের ধার ধারেন না। বরং, মনে যা
ইচ্ছা হয় তাই করেন। অন্যায়কাজ করতে করতে একসময় কোন কিছুকেই আর অন্যায় মনে হয়না। অন্যায়
কাজ করার পর কোন অনুশোচনা বা বিবেকের দংশণ অনুভব করেন না। এধরণের লোক বিনা তওবায় মৃত্যুবরণ
করলে জাহান্নাম অবধারিত।
২।
নাফসে লাওয়ামা বা ধিক্কারদানকারী নাফস - “আমি শপথ করি ক্বিয়ামত দিবসের, আরও শপথ করি নাফসে লাওয়ামার, যে নিজেকে ধিক্কার
দেয়।” - (সূরা আল্ ক্বিয়ামাহ ৭৫/১-২)।
এই
নাফসের অধিকারী ব্যক্তিবর্গ ভালও করেন, আবার মন্দও করেন। তবে, পার্থক্য যে, মন্দ কাজ
করার পর পরই অনুশোচনা বা বিবেকের দংশণে জর্জরিত হন। অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা
করেন। এদের আল্লহপাক হয়তো ক্ষমা করে দিবেন, অথবা মন্দকর্মের ফল যতটুকু হয় তা পৃথিবীতে
বা পরকালে দিয়ে মুক্তিদান করবেন।
৩।
নাফসে মুৎমাইন্না বা প্রশান্ত নাফস - “হে নাফসে মুৎমাইন্না, তুমি প্রশান্তচিত্তে তোমার পালনকর্তার দিকে ফিরে চলো।
অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।” - (সূরা আল্ ফজর ৮৯/২৭-৩০)।
এই
নাফসের অধিকারী ব্যক্তিবর্গ সমস্ত মন্দকাজ হতে তওবা করে পবিত্রতা অর্জন করেন। এদর দ্বারা
সহজে আর মন্দকাজ সম্পন্ন হয়না। কঠোর সাধনার মাধ্যমে তাঁরা আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত হন।
এঁরা ভাগ্যবান। এঁরো ক্ষমাপ্রাপ্ত এবং এঁদের স্থান হলো জান্নাত। এঁরা পূর্বেকার মন্দ
কাজের জন্য সর্বদা লজ্জিত ও শংকিত থাকেন। এঁদের চিত্ত বা নাফস প্রশান্তভাব ধারণ করে।
বেলায়েতে সোগরা স্তরের (প্রাথমিক স্তরের) অলিগণ এই নাফসের অধিকারী।
৪। নাফসে মুলহেমা বা এলহামপ্রাপ্ত নাফস - “শপথ নাফসের! এবং তার, যা তিনি সুবিন্যস্ত করেছেন! অতঃপর তাকে তার খারাপ পথ ও তাকওয়ার পথের এলহাম করেছেন। যে তাকে পবিত্র করল, সে সফল হল। আর যে তাকে কলুষিত করল, সে ধ্বংস হয়ে গেল।” - (সূরা আস-সামছ : ৭-১০)
এই
নাফসের অধিকারী ব্যক্তিবর্গ হলেন মুৎমাইন্নার স্তর হতে উন্নীত উচ্চস্তরের অলিগণ। এঁরা
দেহ ও মনের পবিত্রতা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। ফলে এঁদের সাথে আল্লাহর সম্পর্ক স্থাপিত
হয়েছে। এঁদের উপর আল্লাহর ইলহাম বা গৌণ প্রত্যাদেশ আসে। অহি ও ইলহামের মধ্যে পার্থক্য
এই যে, অহি শুধুমাত্র নবীগণের উপর ফেরেশতাদের মাধ্যমে আসত। আর ইলহাম কোন মাধ্যম ব্যতিরেকে
সরাসরি বিকিরন পদ্ধতিতে আল্লাহর তরফ থেকে আসে। নবীদের উপর অহি ও ইলহাম দুটোই এসেছে,
এমন অনেক ঘটনা রয়েছে। কিন্তু অলিদের উপর শুধুমাত্র ইলহাম আসে, অহি কখনো আসবে না।
৫। নাফসে মুহাদ্দেসা বা সর্বাধিক হেদায়াতপ্রাপ্ত নাফস - “বলুন! তোমরা
আল্লাহর রঙ ধারণ কর। আর কার রঙ তাঁর চেয়ে উত্তম ? আমরা তো তাঁরই ইবাদত করি।” - (সূরা
আল্ বাক্বারাহ্ : ১৩৮)
এই
নাফসের অধিকারী ব্যক্তিবর্গ হলেন সর্বাধিক হেদায়াত প্রাপ্ত। নবী-রাসূলগণ এবং বিশ্বনবীর
উম্মতদের মধ্যে খুব কম সংখ্যক এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এই শ্রেণীর উম্মতদের মরযাদা
এত উচ্চে যে, কিতাবধারী নবী ও্র রাসূল হযরত ইসা (আঃ) নবী না হয়ে বরং এই শ্রেণীর উম্মত
হওয়ার অভিলাষ ব্যক্ত করায় আল্লাহপাক তা কবুল করেন। এঁরা হলেন আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য
লাভকারী বান্দা। আল্লাহপাক এঁদের বন্ধুরূপে কবুল করেন। এঁদের উসিলায় ক্ষেতে শস্য হয়,
গাছে ফল হয়, পুকুরে মাছ হয়। এঁরা হলেন পৃথিবী ও পৃথিবীবাসীর জন্য রহমত স্বরূপ।
বিশ্বনবী
(সাঃ) কোন এক ধর্মযুদ্ধ হতে ফিরে আসার সময় বললেন,“আমরা ছোট জেহাদ হতে বড় জেহাদের দিকে
প্রত্যাবর্তন করছি।” সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন,“ইয়া রাসুলুল্লাহ্! বড় জেহাদ কোনটা?”,
উত্তরে নবীজি বললেন, স্বীয় নাফসের বিরূদ্ধে জেহাদ করা।”
হযরত
আলী (রাঃ) হতে বর্ণীত হাদীস - “মান আরাফা নাফসাহু, ফাক্বাদ আরাফা রাব্বাহু।” অর্থাৎ,
যে স্বীয় নাফসকে চিনতে পেরেছে, সে তার রবকে চিনতে পেরেছে।”
এক্ষেত্রে
বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসের উক্তির উদ্ধৃতি দেয়া যায়, যা সার্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য
হতে পারে - “Know Thyself”, অর্থাৎ, “নিজেকে জানো।”
অতএব,
আমাদের উচিৎ আমরা স্বীয় নাফসকে চিনি, জানি এবং উপরের বিবরণ অনুযায়ী আমরা নিজেরা কোন
নাফসের অধিকারী তা যাচাই করে, স্বীয় নাফসকে প্রমোশনের জন্য প্রাণান্ত সাধনা করি। তবেই
ফিরে আসবে অনাবিল শান্তি - নিজগৃহে, সমাজে, দেশে ও বিশ্বে।
তাযকেরাতুল
আউলিয়া গ্রন্থে উল্লেখিত একটি ঘটনাঃ
তৎকালিন
মিশরের বিখ্যাত তাপস হযরত জুন্নুন মিশরী (রাহঃ) একদিন ফজরের সালাত শেষে সিজদায় পরে
অঝোরে কাঁদছিলেন। এমন সময় জনৈক পথচারী জিজ্ঞাসা করলেন, হে জুন্নুন আপনি কাঁদছেন কেন
? উত্তরে জুন্নুন (রাহঃ) বললেন, ফজরের সালাতের পর আমি যখন সিজদারত অবস্থায় আল্লাহর
উদ্দেশ্যে কাঁদছিলাম, তখন আমার উপর ইলহাম (গৌন প্রত্যাদেশ, যা সরাসরি বিকিরন পদ্ধতিতে
অলি-আল্লাহগণের উপর আসে, নবীগণের উপর আসা ওহী যা হযরত জিব্রাইল আঃ এর মাধ্যমে আসে,
আর নবীজির অনুসরনকারী প্রকৃত অলি-আল্লাহগণের উপর আসে উলহাম, কোন মাধ্যম ব্যতিরেকে সরাসরি
বিকিরন পদ্ধতিতে আসে, এম,এ ক্লাসের ইসলামিক হিষ্টী এন্ড কালচারের একটি পার্ট মুসলিম
ফিলসফিতে এর উল্লেখ রয়েছে, ইলহাম অস্বীকারকারীকে অমুসলিম বলা হয়েছে) আসে, “হে জুন্নুন,
আমি আদমকে সৃষ্টি করার পর তার পৃষ্ঠদেশ হতে সমুদয় মানবজাতির আত্মাকে বের করে আনলাম।
তারপর, আমি তাদের সামনে দুনিয়াকে হাজির করলাম। দেখা গেল উহারা দশভাগে ভাগ হয়ে নয় ভাগই
দুনিয়ার প্রতি ঝোকে (আকৃষ্ট) পড়ল ; একভাগ স্থির রইল। এবার আমি এই একভাগের সামনে জান্নাতকে
হাজর করলাম, দেখা গেল এরা আবার দশভাগে ভাগ হয়ে নয়ভাগই জান্নাতের প্রতি ঝোকে পড়ল, একভাগ
স্থির রইল। এই একভাগের সামনে জাহান্নামকে হাজির করলাম, এবারও এরা দশভাগে ভাগ হয়ে নয়ভাগই
বিক্ষিপ্তভাবে পলায়ন করতে লাগল, আর একভাগ স্থির রইল। এই একভাগকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম,
তোমাদের সামনে আমি দুনিয়াকে হাজির করলাম তোমরা উদাসীন রইলে, জান্নাতকে হাজির করলাম
তোমরা উদাসীন রইলে, জাহান্নামকে হাজির করলাম তাও তোমরা ভয় পেলে না, বলতো তোমরা কি চাও
? তারা উত্তরে বলল, হে আমাদের প্রতিপালক আমরা কি চাই তা আপনার অজানা নেই, আপনি ভাল
করেই জানেন আমরা কি চাই (অর্থাৎ, এরা শুধু আল্লাহকেই চায়)। তখন আমি বললাম, তোমরা অবশ্যই
যা চাও তা পাভে।”
এই
ইলহামের পর জুন্ণুন মিশরী (রাহঃ) সেজদায় পড়ে কাঁদেছিলেন। অথচ আমরা সারাটি জীবন দুনিয়ার
ইবাদত করে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত সালাত কোন ক্রমে পাড় করে মনে করি বিরাট আল্লাহ ওয়ালা হয়ে
গেছি। জান্নাতুল ফেরদাউসে যেতে এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। এটাই ইবলিস শয়তানের সবচেয়ে
সূক্ষ্ণ ধোকা। উপরের ঘটনার আলোকে আমরা প্রত্যেকে যাচাই করতে পারি যে আমরা কোন দলে রয়েছি।আমাদের
মত দুনিয়াদার নামাজী পাওয়ার জন্য আল্লাহ মানবজাতি সৃষ্টি করেন নি। শুধুমাত্র নামাজেরর
জন্য অগণিত ফেরেস্তারাই যথেষ্ট ছিল, মানব সৃষ্টির প্রয়োজন ছিল না।মানব সৃষ্টির মূল
উদ্যেশ্য সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণরুপে অজ্ঞ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন